প্রকাশিত: ১০ এপ্রিল, ২০২৬ ০২:২৫:০১
প্রজন্ম ডেস্ক: শহীদ আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন ও মা মনোয়ারা বেগম।
আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে মাত্র দুজনকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়েছে। ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আমার ছেলেকে গলাটিপে ধরেছিল। তার সর্বোচ্চ শাস্তি হলো না। আরও কঠোর সাজা দেওয়া দরকার ছিল। আরও অনেককে ফাঁসি দেওয়া দরকার।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে মামলার রায় প্রকাশের পর রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর এলাকার জাফরপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি।
মকবুল হোসেন দাবি করেন, অনেক অপরাধী পালিয়ে গেছে। বড় অপরাধীদের এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। পুলিশের বড় কর্মকর্তাদের বাঁচিয়ে দিয়ে ছোটদের সাজা দেওয়া হয়েছে।
সরকারের কাছে পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের দাবি, যারা পালিয়ে গেছে তাদের ধরে এনে ফাঁসি দিতে হবে। এ সময় আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করে পরে পরিবারের পক্ষে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগমের প্রতিক্রিয়া : ‘এখন আমার অন্তর ভালো হয় নাই, আত্মা ঠান্ডা হয় নাই।’ তিনি বলেন, ‘এটাত হামরা খুশি নই। আরও হামরা সাজা চাই। আমার ছলোক অনেক অত্যাচার করছে। জ্যালা জ্যালা হামার ছলোক অত্যাচার করছে সেলার হামরা বিচার চাই। আরও বেশি করে সাজা দেক। অনেক আসামিক ফাঁসি দিলে আমরা খুশি হনু হয়। তাছাড়া আমরা খুশি নই। অনেক আসামির ফাঁসি হয় নাই, সেই জন্য আমরা বেজার (অসন্তুষ্ট)। এখন আমার অন্তর ভালো হয় নাই, আত্মা ঠান্ডা হয় নাই।’
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের প্রতিক্রিয়া : বেরোবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী রায়ের প্রতিক্রিয়ায় বলেন, আবু সাঈদকে প্রকাশ্যে দিবালোকে যারা হত্যা করেছে। নিশ্চয় তার পরিবার এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাবে। আমি ঘটনার সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলাম না, তাই বেশিকিছু বলতে পারছি না। তবে এটুকু বলব, এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল যে রায় ঘোষণা করেছেন তা প্রত্যাশিত। তাতে আমি সন্তুষ্ট। তবে রায়ের যে ধরণ তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ নিয়ে আরও ভালো বলতে পারবে আবু সাঈদের পরিবার, তার সহযোগী যারা সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা এবং যারা অপরাধের ধরণ প্রত্যক্ষ করেছেন।
তিনি বলেন, আবু সাঈদকে হত্যার পর তৎকালীন শাসক কোনো আইনি উদ্যোগ নেয়নি। আমরা এতদিন যে রায়ের জন্য নানাভাবে বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছ করার জন্য কথা বলেছি, তার ফসল এই রায়।
আ.লীগ সংশ্লিষ্ট মুনিরীয়া যুব তবলীগের মামলায় গ্রেপ্তার জুলাই যোদ্ধা
ইনস্টাগ্রামে বুলিং নিয়ে হানিয়া আমিরের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মাদকসেবনে বাধা দেওয়ায় জবি শিক্ষক ও তার পিতার ওপর হামলা
টঙ্গীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ২৪
গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের বিক্ষোভ
সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য আসন ১৫০ টিতে উন্নিত
বাড়িতে ফিরলো দুবাইতে ড্রোন হামলায় নিহত হওয়া এক বাংলাদেশির লাশ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
ইসরাইলি বাহিনীর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ফ্রান্স-পাকিস্তানের উদ্বেগ