প্রকাশিত: ০৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০২:৪১:৫৩
প্রজন্ম ডেস্ক:
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঢাকাস্থ দূতাবাসে ৮ দেশের দূতদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, জামায়াত ধর্মের ব্যবহার করে না, ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করে না। যারা নির্বাচনের সময় এলে তসবিহ নিয়ে ঘুরে তারাই ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে।
নির্বাচন পেছালে দেশ গভীর সংকটে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন পেছানো জামায়াতের কাম্য না। কোনো কারণে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন পেছালে দেশ গভীর সংকটে পড়বে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে আমরা ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ গড়বো। আমরা কোনও দলকেই বাদ দেবো না। দেশের স্বার্থে দারুণভাবে আমোরা অনুভব করি, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে অন্তত আগামী ৫ বছর দেশের স্থিতিশীলতা, অর্থনিতী ফিরিয়ে আনা, সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাবে।
দুইটি জিনিস অনুরোধ করবো প্রথমত, নিজে দুর্নীতি করবেন না এমনকি বিষয়টাকে প্রশ্রয় দিবেন না। দ্বিতীয়ত, সকলের জন্য সমান বিচার নিশ্চিত করা, এ বিষয়ে রাজনৈতিকভাব হস্তক্ষেপ করা যাবে না। যারা অন্তত এই দুইটি বিষয়ে একমত হবেন আমরা তাদের নিয়ে সরকার গঠন করতে আগ্রহী।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় রাজনীতিতে কোনও সংকট দেখছেন কী না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুস্থতা অসুস্থতা আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। দেশবাসী তার সুস্থতায় শ্রদ্ধা নিবেদন করে দোয়া করছে। সবাইকে বিদায় নিতে হবে। এর সঙ্গে সমাজের চাকা চলা বা অচল হওয়া উচিত নয়।
৮ দেশের রাষ্ট্রদূতরা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একই দিনে দুই ভোট নিয়ে শঙ্কা আছে। এ সময় আলাদা আলাদা দিনে নির্বাচন করার কথাও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন খুবই প্রয়োজন। এর সামান্য নড়চড় হলে দেশ গভীর সংকটে পড়বে। এ সময় দেশের স্বার্থে আগামীর স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনীতি করে না বলে জানিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঢাকাস্থ দূতাবাসে ৮ দেশের দূতদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, জামায়াত ধর্মের ব্যবহার করে না, ধর্মকে নিয়ে ব্যবসা করে না। যারা নির্বাচনের সময় এলে তসবিহ নিয়ে ঘুরে তারাই ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে।
নির্বাচন পেছালে দেশ গভীর সংকটে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন পেছানো জামায়াতের কাম্য না। কোনো কারণে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন পেছালে দেশ গভীর সংকটে পড়বে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেলে আমরা ইনক্লুসিভ বাংলাদেশ গড়বো। আমরা কোনও দলকেই বাদ দেবো না। দেশের স্বার্থে দারুণভাবে আমোরা অনুভব করি, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে অন্তত আগামী ৫ বছর দেশের স্থিতিশীলতা, অর্থনিতী ফিরিয়ে আনা, সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাবে।
দুইটি জিনিস অনুরোধ করবো প্রথমত, নিজে দুর্নীতি করবেন না এমনকি বিষয়টাকে প্রশ্রয় দিবেন না। দ্বিতীয়ত, সকলের জন্য সমান বিচার নিশ্চিত করা, এ বিষয়ে রাজনৈতিকভাব হস্তক্ষেপ করা যাবে না। যারা অন্তত এই দুইটি বিষয়ে একমত হবেন আমরা তাদের নিয়ে সরকার গঠন করতে আগ্রহী।
খালেদা জিয়ার অসুস্থতায় রাজনীতিতে কোনও সংকট দেখছেন কী না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সুস্থতা অসুস্থতা আল্লাহর সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। দেশবাসী তার সুস্থতায় শ্রদ্ধা নিবেদন করে দোয়া করছে। সবাইকে বিদায় নিতে হবে। এর সঙ্গে সমাজের চাকা চলা বা অচল হওয়া উচিত নয়।
৮ দেশের রাষ্ট্রদূতরা নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং একই দিনে নির্বাচন ও গণভোট নিয়ে কোনো শঙ্কা প্রকাশ করেছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একই দিনে দুই ভোট নিয়ে শঙ্কা আছে। এ সময় আলাদা আলাদা দিনে নির্বাচন করার কথাও জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, ফেব্রুয়ারির নির্বাচন খুবই প্রয়োজন। এর সামান্য নড়চড় হলে দেশ গভীর সংকটে পড়বে। এ সময় দেশের স্বার্থে আগামীর স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান জামায়াতের আমির।’
প্রজন্ম নিউস২৪
নির্বাচনে বিএনসিসি মোতায়েনের সিদ্ধান্তে উদ্বিগ্ন বিএনপি
জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকড : বঙ্গভবনে যাচ্ছে প্রতিনিধি দল
‘আইসিসি কি তিন বছর আগে ঘুমিয়ে ছিল’
এপস্টেইন নথি : বিল ক্লিনটন- হিলারিকে হোয়াইট হাউসে তলব
সিলেটে নির্বাচনী এলাকায় লঙ্ঘন করা হচ্ছে আচরণবিধি
যশোরে ট্রাকচাপায় পিষ্ট বৃদ্ধ, মুহূর্তেই নিথর নূরবাগ মোড়
‘রাজনৈতিক স্বার্থে রাজাকার জঙ্গি আখ্যা জনগণ গ্রহণ করছে না’
বগুড়া শিবগঞ্জের গুজিয়ায় দাঁড়িপাল্লার নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাজনৈতিক এজেন্ডায় জড়িত হলে কঠোর ব্যবস্থা